
প্রাকৃত ভাষার উৎপত্তির ইতিবৃত্ত
আলোচ্য প্রসঙ্গে আলোকপাত করবার জন্য প্রথমেই প্রাকৃত ভাষার উৎপত্তির বিষয়ে


আলোচ্য প্রসঙ্গে আলোকপাত করবার জন্য প্রথমেই প্রাকৃত ভাষার উৎপত্তির বিষয়ে

সমগ্র ভারতে একই উৎসব প্রচলিত রয়েছে, এমন উদাহরণ মোটামুটিভাবে তিনটির

শক্তি চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৩-১৯৯৫) আমার কাছে বাউণ্ডুলে ভবঘুরের মতো। তুড়ি মেরে

কাশ্মীরী কবি ক্ষেমেন্দ্র তাঁর ‘দশোপদেশ’ গ্রন্থে কাশ্মীর প্রবাসী গৌড়ীয় বিদ্যার্থীদের

‘আমার পতাকা উড়ছে পাখিদের স্বাধীনতা ছুঁয়ে।’ এই পতাকা যাঁর উড়ছে

অতীতে মহেঞ্জোদড়োতে তিনমাথাওয়ালা কোনো একজন দেবতার চিত্রসম্বলিত একাধিক মোহর পাওয়া

বেনিয়া-শাসনের প্রথম যুগে বঙ্গদেশে ইংরেজি-শিক্ষা বিস্তারের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কোম্পানির

‘হে পরমেশ্বর তুমি আমাকে লেখাপড়া শিখাও’, – বোবা কান্নায় ঈশ্বরের

চর্যাপদগুলির মাধ্যমে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যরা যে ধর্মমত প্রচার করতে চেয়েছিলেন, সেগুলির

জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হল – ঝরা পালক। এই

“সমস্ত দিন অন্ধকারে রৌদ্র ঢেলে অই পশ্চিমে নীল হলদে মেঘে

জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) কীভাবে আমাকে ডেকে নিলেন যৌবনের অন্ধকারে কোন