দুপুর
এ এমন এক বিষণ্ন দুপুর তোমার চোখের ছায়া প্রতিবিম্ব হয়ে আমার উপর এসে পড়েছে, যেভাবে…

১৯৭১ সালের মার্চ মাস। বাঙালির ইতিহাসে এক উত্তাল সময়। অসহযোগ আন্দোলনের জোয়ারে তখন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসন। এই প্রেক্ষাপটে ১৬ মার্চ ১৯৭১, অসহযোগ আন্দোলনের নবম দিনে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহাসিক মুজিব ইয়াহিয়া বৈঠক। সেদিন ঢাকার প্রেসিডেন্ট ভবনে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের প্রধান বঙ্গবন্ধু…
আসলাম একটা জাতীয় দৈনিকে কাজ করেন বছর পাঁচেক হল। চাকরি পাওয়ার পর থেকে প্রত্যেক রোজার ঈদে মায়ের জন্য শাড়ি, বাবার জন্য পায়জামা-পাঞ্জাবি নিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে ফেরেন। এ বছর আসলামের মনে— হল,আচ্ছা, আমি তো আমার ইচ্ছেমতো মা-বাবার জন্য শাড়ি, পাঞ্জাবি নিয়ে যাই। কিন্তু মা-বাবাকে তো জিজ্ঞেস করি না, উনাদের কিছু লাগবে কি না। মা যে…
১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের অষ্টম দিন। মার্চজুড়ে চলা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এদিনও দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ মিছিল, সভা-সমাবেশ এবং সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত বর্জনের মাধ্যমে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকে। কার্যত প্রশাসনিক কাঠামো অচল হয়ে পড়ে এবং দেশের মানুষ তখন কেবল বঙ্গবন্ধুর নির্দেশই মেনে চলছিল। আর পাকিস্তানের সামরিক সরকারের নির্দেশনা জনতার কাছে গুরুত্ব হারিয়ে…
ছবি আর কবিতাকে একসঙ্গে আমি বলি ‘ছবিতা’। ইংরেজিতে এর নাম হতে পারে Paintry, অর্থাৎ Painting + Poetry। অন্যভাবে চাইলে এটাকে Pain + Poetry বলেও ভাবা যায়। বাংলায় আপাতত একে ‘বেদনার্থী’ বলা যেতে পারে, মনমতো না হলেও কাজ চালানোর মতো। কনসেপশান, ফর্ম এবং টেক্সচারের দিক থেকে আমার কবিতা সবচেয়ে বেশি নৈকট্য অনুভব করে চিত্রকলার সঙ্গে। কেন?…
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল সময়ের প্রতিটি দিনই ছিল বাঙালির মুক্তির আকাঙ্ক্ষা, প্রতিবাদ ও সংগঠনের নতুন মাইলফলক। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ১৪ মার্চ দিনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। অসহযোগ আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্যায়ের সপ্তম দিনে সারা পূর্ববাংলায় স্বাধীনতার দাবিতে জনতার ঐক্যবদ্ধ শক্তি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেদিন সকালে ধানমন্ডিতে নিজের বাসভবনে আওয়ামী…
বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছে। সেই যুদ্ধ ছিল একটি ভূখণ্ডের স্বাধীনতার লড়াই, ছিল ন্যায় পক্ষে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই। সেই যুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানি বাহিনীর পাশে দাঁড়িয়ে গণহত্যা, লুটপাট, ধর্ষণে সহযোগিতা করেছিল জামায়াতে ইসলাম, তাদের প্রতি মানুষের ঘৃণা কখনো মুছে যায়নি। যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে ঘিরে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা সেই…
১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা দিন দিন দৃঢ় হয়ে উঠছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে চলমান অসহযোগ আন্দোলন তখন সর্বাত্মক গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ১৩ মার্চে এসে পূর্ব বাংলা কার্যত অচল হয়ে পড়ে। দেশের সব স্তরের মানুষ কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চাকরিজীবী নিজেদের অধিকার ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আন্দোলনে অংশ নেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান…
১৯৭১ সালের মার্চ মাসের দিনগুলো বাংলাদেশের ইতিহাসে অগ্নিঝরা মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশে ১২ মার্চ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জনগণ তার সমান অধিকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার দাবিতে ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলন দেশজুড়ে নতুন রূপে শক্তিশালী হয়েছিল। এই দিনে সরকারি ও আধাসরকারি কর্মচারীরা কর্মস্থল বর্জন করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা, সরকারি ও বেসরকারি…
১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা মার্চের একাদশতম দিনে পূর্ববাংলাজুড়ে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে অসহযোগ আন্দোলন আরও বিস্তৃত রূপ লাভ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করে সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষ পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা অব্যাহত রাখেন। ফলে পূর্ববাংলায় পাকিস্তানের বেসামরিক প্রশাসনিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়ে পড়ে। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর…
১৯৭১ সালের মার্চের প্রতিটি দিন যেন স্বাধীনতার পথে এক একটি দৃঢ় পদক্ষেপ। সেই ধারাবাহিকতায় ১০ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশেই চলছিল পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসন ও জনজীবন। অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে সারা দেশের সরকারী ও আধাসরকারী অফিসের কর্মচারীরা টানা দশম দিনের মতো কাজে যোগদান থেকে বিরত থাকেন। ফলে কার্যত পাকিস্তানি শাসনযন্ত্র অচল হয়ে পড়ে।…
১৯৭১ সালের ৯ মার্চ ছিল পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আহূত অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলনের অষ্টম দিনে সারাদেশ আন্দোলনের উত্তাল হয়ে ওঠে। হাইকোর্ট, জেলা কোর্ট, সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও জনগণ অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেয়। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষকরা কালো ব্যাজ ধারণ করে এবং ঘরে ঘরে কালো…
আজ আমরা যখন আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করবো তখনও হয়তো দেশের আনাচে-কানাচে বা প্রশাসনের নাকের ডগায় কোনো কন্যাশিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়ে পড়ে থাকবে কোনো ডোবা নালায় বা ঝোপে জঙ্গলে। অথবা সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলবে কোনো নারীর দেহ। হয়তো হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অতি পুরনো এই কৌশল করবে পরিবার। গত…