
পণ্ডিত বিদ্যাসাগর ও শকুন্তলা
পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যদিও সেকেলে সংস্কৃত সাহিত্য পড়েছিলেন, কিন্তু তিনি


পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যদিও সেকেলে সংস্কৃত সাহিত্য পড়েছিলেন, কিন্তু তিনি

অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এমন এক আশ্চর্য প্রতিভা,

।।শেষ পর্ব।। বোদল্যারের প্যারিস শহর ধনিদের পদভারে কাঁপা আর অবিরাম

।।চার।। ফোকলোর বা লোককথার ‘ভঁপিঘ্’ বা রক্তচোষা’র চরিত্রকে অতীতচারী স্মৃতিচারণার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৩০২ বঙ্গাব্দে লিখিত তাঁর ‘বিদ্যাসাগর-চরিত’ প্রবন্ধের সূচনাতেই পণ্ডিত

জীবনের জলে আমাদের ছায়া পড়েছে। সেইসব ছায়া আত্মরতির জটিল মুগ্ধতায়

।।তিন।। বোদল্যারের নিষিদ্ধ কবিতাগুলো একদিক থেকে সেসময়কার ফরাসি সমাজের ও

বাল্যবিবাহ প্রথাটি ভারতবর্ষ তথা বাংলার অন্যতম প্রাচীন সামাজিক প্রথা হলেও

চর্যাপদের আবিষ্কর্তা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন যে, চর্যাপদে

।।দুই।। ১৮৪৭ সালে ২৬ বছর বয়সে পো’র সাহিত্য সম্পর্কিত বোদল্যারের

বাংলা সাহিত্যে প্রথম কাব্যোসমালোচনা বোধহয় বিজয় গুপ্তেরই। মনসামঙ্গলের কাহিনি কবে

।।পর্ব – এক।। সারা পৃথিবীতে বোদল্যারই একমাত্র ব্যতিক্রম যিনি তাঁর