মৃত্যুর ভেতরে
জলে নেভানো একশব্দ তাড়া করে আগুনকে যে ধরে রাখে কালো কয়লার মধ্যে চোখের আড়ালে নীল বিষ পড়ে শিশিরে মানুষের মৃত মুখ নিকষ তিমিরে শব্দকে খুঁজে পাওয়া সনেটের গেঁথে যাওয়ার ভেতর চাঁদ খেকো গলির নিশ্চিন্ত সুরঙ্গে গুমোট গরম শামুকের মতো করুনা সকলের চোখে শব্দ ছিল ঘামে ভিজে নরম নৈরাশে কতো শব্দ জলজ্যান্ত নদীর ভেতরে উষ্ণ প্রগলভ…
দাহ
আমার দুহাতে কলঙ্করেখার উচ্ছলতা শরীর জুড়ে অপব্যয় আর ছন্নছাড়া ভয় আমি রচনা করি কবিতা স্তব্ধ রাতে শীতার্ত হয়ে আছে দুঃখ প্রহরী অনেক দিন বসিনি সহজে মুখোমুখি তোমার শ্যামল মুখে আজও সজীব সঞ্চার করি লেখার পটভূমিকায় উড়েছে সমুদ্রের আন্তরিক হাওয়া আমার মেরুদন্ড ঘিরে ওঠে ভ্রষ্ট উপদ্রব নীলাভ তর্জনী ডুবে যায় অনিঃশেষ ভূমধ্যসাগরে জ্বলে ওঠে শরীর বন্য…
হারানো পূর্ণিমা
আজ সেই পূর্ণিমা গঙ্গায় ডুবে যাবে ব্যর্থ চাঁদ প্রেমিকের সমস্ত কল্লোল শান্ত হবে শব্দময় হবে কেবল তারাদের গুঞ্জন সন্ন্যাসীর মতো আমি চলে যাব পরিচ্ছন্ন ভোরে শূণ্য হাতে পূর্ণ চাঁদ গলে পড়বে জলে।।
গঙ্গা
সত্যি কি স্নান করে নিলে ধুয়ে যায় সব? আবার নতুন হয়ে ওঠে সজীবতা যে অপরাধী প্রতিদিন পাপ করে স্নান করে নেয় হাতের মায়ায় সঞ্চিত থাকে অভিশাপের কথা চেনা শহর থেকে ওরা প্রতিদিন পালিয়ে যায় দূরে যেখানে উঁচু নিচু সবুজের ঢল এই নদী একা লাবণ্য উদ্ভিদের ভেতরে নত হওয়া অপরাধীর দল দুচোখে সূর্যাস্ত নদী একা একাই…
- 1
- 2
