সময়ের শব্দ
আমি আসাম রোড ধরে সাইকেল চালিয়ে ফুলপুকুর যাচ্ছি। শীতের বিকাল।
পৃথিবীর ভূ-স্বর্গ ভারতের কাশ্মীর থেকে বাংলাদেশের ঢাকা মেডিকেল কলেজে ডাক্তারী
মালঞ্চার মাটিতে নির্ঝরের কথা শুনে খুশিতে ভরে গেল বৈশালীর মন।
১৯৫৪ সালের ২২ শে অক্টোবরে জীবনানন্দের মহাপ্রয়াণ হয়ে গেছে, জীবনানন্দ
আজিম এবং প্রকাশ দুই বন্ধু। গলায় গলায় ভাব। বন্ধুত্বটা হয়েছিল
সদ্য তখন ব্রিটিশ মুক্ত ভারত হয়েছে। স্বামীহারা রমলাদেবী দুই পুত্র
খুব ভোরের জেদী একগুয়েঁ ধোঁয়া আর ছেঁড়া ছেঁড়া বাক্স পুঁটুলি
শিয়ালদা স্টেশনের ন-নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে সবে মাত্র আটটা কুড়ির বনগাঁ
প্রীতির সাথে অনুসুয়া এবং তার পরিবারের সম্পর্কটা যদি কেউ ওদের
মফস্বলের ঝিম ধরা বিকেলের চলন্তিকা রোদ, প্রিজম তর্জনীর বর্ণালী ছাড়িয়ে,
ঝলসানো আকাশের সিঁদুরে মেঘে, শেষ বিকেলের মায়া জড়ানো, ডুবন্ত সূর্য্যের
শীতের সকাল। কনকনে উত্তুরে বাতাস বয়ে চলেছে। গাছের পাতায় হিম