
শতবর্ষে পথের দাবী প্রসঙ্গ ও প্রাসঙ্গিকতা
বাঙালি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি ১৯২৬ সালের অগাস্ট


বাঙালি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি ১৯২৬ সালের অগাস্ট

সাধারণভাবে বিজ্ঞান সাধনা ও স্বদেশী শিল্পের রূপকার হিসেবে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র

বাংলা কবিতার ইতিহাসে তিরিশের দশক পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। রবীন্দ্রনাথের

ঐতিহাসিকদের মতে, খৃষ্টীয় ঊনিশ শতকের বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতির

উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় পত্রপত্রিকা প্রকাশের যে ধারাটি বয়ে

বিধবাবিবাহের সমর্থনে ঊনিশ শতকের বাঙালি কবিরা একাধিক কাব্য লিখেছিলেন। এবিষয়ে

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত খোয়াবনামা বাংলা উপন্যাসের ভেতরে এমন এক বর্ণনাজগৎ

অতীতের বাংলার লেখকদের মধ্যে পুলিনবিহারী সেন সর্বপ্রথম সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে— ‘বাংলার

জনশ্রুতি রয়েছে যে, রামমোহন রায়ের সহধর্মিণী উমা দেবী একবার নাকি

নারী সমাজের সংস্কৃতিতে অপ্রতিরোধ্য অবদানকে প্রাচ্য ভারতে যুগ যুগ ধরে

মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র লিখেছিলেন— “আমার জীবনকে

কপোতাক্ষের স্নিগ্ধ জলরাশি সেদিন হয়তো জানত না যে, তার কোল