নাজমুস সামস’র পাখি সিরিজ

বাংলাদেশের পাখি ও প্রকৃতি দুটোই বিপন্নপ্রায়। আর সে যদি হয় পাখি তবেতো কথাই নাই। চোরাশিকারীরা প্রতিদিন হাজার হাজার পাখি মারছে। রাষ্ট্রযন্ত্র নির্বিকার। আমাদের সবাই নিরব। এ ভাবনা থেকেই পাখি সিরিজ লেখা। পাখিরা বেঁচে থাক আমাদের সংগীত হয়ে …

ছবি: সংগৃহীত।

ঘুঘু

আকাশে উড়তে উড়তে বলে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি। তাই প্রতিনিয়ত বাড়ছে পাখিটির সংখ্যা। আমরা ওদের সাথে কাজ করতে পারি কিভাবে ওরা বেঁচে আছে প্রজনন করছে তা নিয়ে…

আমাদের চারিদিকে যেভাবে পাখি মারা যাচ্ছ তাতে আমরা শংকিত
শুধু এই পাখিটিই ব্যাতিক্রম হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে উঁচু গাছে।

ছবি: সংগৃহীত।

ময়না

কথা বলতে পারা এই পাখিটি
স্বরতন্ত্র কাঁপিয়ে বিভিন্ন সুর তোলে
আর আমরা উতলা হয়ে যাই
বনশিকারী পখিটিকে মেরে ফেললেও পাখিটি এখনও অবলুপ্তির পর্যায়ে পৌছায়নি। দক্ষিণ ও দক্ষিণ এশিয়ায় এ পাখি গান গায় আর তাই তার স্বরতন্ত্রি কাঁপিয়ে সে মানুষকে উদ্ধার করে। তোমরা কি জানো ওর ঠোট কেন কমলা হয় আমি কিম্তু জানি শিকার ধরার সময় এই রংয়ের ঠোঁট উদীপ্ত করে আর আমরা ময়না হয়ে যাই…

ছবি: সংগৃহীত।

চিল

আকাশের উপরে থাকে সেখানথেকে
বড় পাখা ঝাপটিয়ে শিকার করে
মূলত তাদের খাবার হচ্ছে মৃত প্রানীদেহ। যা তার ঠুকরে ঠুকরে খায়। অতিবৃষ্টিতে পাখা ভিজে গেলে
তারা মাটিতে নামে

আবার পাখা শুকনো হলে তারা
আকাশে উড়ে চক্রকারে ঘুরে বেড়ায়
তাদের একটাই চাওয়া
শিকার ঠিকমতো পাওয়া
আর দূরবীন দিয়ে তা দেখা

ছবি: সংগৃহীত।

ডাহুক

কাদাপানির মধ্যে বেড়ে উঠে যে কোন জায়গাকে ভাস্কর্য বানিয়ে ফেলে আর গায় ওগো মা তোমায় দেখে দেখে আখিঁনা ফেরে…

আমাদের এই পাখিটি মাঠের মধ্যে ডিম পাড়ে আর তা দিয়ে আকাশে উড়ায়। পাখটির ডাক অনেক সুন্দর তাই রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

ছবি: সংগৃহীত।

কাকাতুয়া

অস্ট্রেলিয়া ও পূর্ব ভারতের অংশে এই পাখিটি পাওয়া যায়।
মাথায় ঝুঁটি বাধা এই পাখিটি পোষও মানে। বাংলার মানুষের আদর পাওয়া এই পাখিটি ২১টি প্রজাতির পাওয়া যায়।

যারা বাংলাদেশকে দিয়েছে বিশেষ সম্মাননা আার তাই সে বলে
আমার সোনার বাংলা।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on print
Print
error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত !!