রবীন্দ্রনাথ: ‘পুরস্কার’ কবিতা এবং দুই মহাকাব্যে যুদ্ধের অসারতা

 এক

জীবনস্মৃতি অনুসারে, ঠাকুরবাড়ির পরিবেশে বেড়ে ওঠা রবীন্দ্রনাথ শৈশবেই তাঁর মাকে বাংলা ভাষায় রামায়ণের কাহিনি শোনাতেন। সেই রামায়ণ ছিল কবি কৃত্তিবাস ওঝা রচিত কৃত্তিবাসী রামায়ণ, যা বাংলার ঘরে ঘরে পাঠিত হতো এবং রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য-চেতনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন, রামায়ণ ও মহাভারত ভারতীয় সংস্কৃতি, ইতিহাস, নৈতিকতা এবং জীবনদর্শনের মৌলিক ভিত্তি।

অন্যদিকে, আরেক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তও শৈশবে তাঁর মায়ের মুখে রামায়ণ ও মহাভারত-এর কাহিনি শুনেছিলেন। এই দুই মহাকাব্য উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির মনন গঠনে গভীর ভূমিকা রেখেছিল।

শান্তিনিকেতনের শিক্ষাব্যবস্থায় রবীন্দ্রনাথ পাঠ্যপুস্তকের গণ্ডি অতিক্রম করে ভারতীয় ঐতিহ্যকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ করেছিলেন। অল্পবয়সী শিক্ষার্থীদের উপযোগী ভাষায় তিনি নিজেই রামায়ণ ও মহাভারত-এর কাহিনি শোনাতেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল কেবল পৌরাণিক গল্প বলা নয়; চরিত্রগঠন, নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ এবং ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় ঘটানো।

রবীন্দ্রনাথের ‘পুরস্কার’ কবিতায় দেখা যায়, এক কবি রাজদরবারে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি লক্ষ করেন, জ্যোতিষী, বৈয়াকরণ, পণ্ডিত এবং অন্যান্য সভাসদ তাঁদের নিজ নিজ বিদ্যা ও কৃতিত্বের জন্য রাজকোষ থেকে পুরস্কৃত হচ্ছেন। কিন্তু শেষে কবি একাই রাজার সম্মুখে আসন গ্রহণ করেন।

সরস্বতীর বন্দনার পর তিনি রামায়ণ ও মহাভারতের কাহিনি কাব্যরূপে পরিবেশন করেন। তাঁর আবৃত্তি ও কাব্যবর্ণনায় রাজা গভীরভাবে মুগ্ধ হন।
এরপর কবি রামায়ণের কাহিনি শোনাতে শুরু করেন—

‘আর-এক দিন, ভেবে দেখো মনে,
যে দিন শ্রীরাম লয়ে লক্ষ্ণণে
ফিরিয়া নিভৃত কুটির-ভবনে
দেখিলা জানকী নাহি—
“জানকী জানকী’ আর্ত রোদনে
ডাকিয়া ফিরিলা কাননে কাননে,
মহা অরণ্য আঁধার-আননে
রহিল নীরবে চাহি।’

রবীন্দ্রনাথ এখানে ‘সীতা’ নয়, ‘জানকী’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। ‘জানকী’ অর্থ রাজা জনকের কন্যা। এই নাম ব্যবহারের ফলে সীতার পরিচয় কেবল রামের স্ত্রী হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না; তিনি একজন পিতার স্নেহের কন্যা হিসেবেও আমাদের সামনে উপস্থিত হন। এর ফলে তাঁর ব্যক্তিসত্তা ও মানবিক বেদনা আরও গভীরভাবে প্রতিভাত হয়। অবশ্য সংস্কৃত ও মধ্যযুগীয় সাহিত্যে ‘জানকী’, ‘মৈথিলী’, ‘বৈদেহী’ প্রভৃতি নামও সমানভাবে প্রচলিত। তবু এই প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ‘জানকী’ শব্দচয়নকে তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির একটি তাৎপর্যপূর্ণ কাব্যিক নির্বাচন হিসেবে পড়া যায়।

রাবণের সীতাহরণকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ঐতিহ্যে বহু ব্যাখ্যা গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন পাঠে সীতাকে কখনও পারিবারিক মর্যাদা, কখনও রাজনৈতিক সংঘাত, আবার কখনও ধর্মনৈতিক আদর্শের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখা হয়েছে। ফলে তাঁকে ঘিরে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, ক্ষমতার প্রশ্ন এবং নৈতিকতার দ্বন্দ্ব পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।

‘সীতা’ শব্দের আদি সংস্কৃত অর্থ লাঙলের রেখা বা কর্ষণরেখা। রামায়ণ অনুযায়ী, রাজা জনক যজ্ঞের জন্য ভূমি কর্ষণ করার সময় সেই কর্ষণরেখা থেকেই সীতাকে লাভ করেন। তাই তাঁকে ‘ভূমিজা’, ‘ধরণীকন্যা’ কিংবা ‘বসুন্ধরার কন্যা’ বলা হয়। এই কারণে সীতা কৃষি, উর্বরতা, পৃথিবী এবং মাতৃত্বের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।

এই প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের ‘জানকী’ নামের ব্যবহার কেবল একটি নামের পরিবর্তন নয়; এর মাধ্যমে তিনি সীতার মানবিক পরিচয় ও তাঁর বেদনাবিধুর অবস্থানকে আরও মর্মস্পর্শী করে তুলেছেন।

অথচ রাম, সীতা ও লক্ষ্মণের জীবনে সুখ-সমৃদ্ধির কোনো অভাব ছিল না। রামের রাজ্যাভিষেক ছিল প্রায় নিশ্চিত। সীতা অযোধ্যার রাজবধূ হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। লক্ষ্মণও নববধূ ঊর্মিলাকে নিয়ে সুখী সংসারের স্বপ্ন দেখছিলেন। কিন্তু কৈকেয়ীর বরদানের ফলে মুহূর্তের মধ্যেই সেই সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা ভেঙে পড়ে। রাজপ্রাসাদের ঐশ্বর্য, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও পারিবারিক জীবন ত্যাগ করে রাম, সীতা ও লক্ষ্মণ বনবাসে যাত্রা করেন। এই বিচ্ছেদই পরবর্তী সময়ে এক মহাসংঘাতের সূচনা করে।

এই হৃদয়বিদারক ঘটনাকে রবীন্দ্রনাথ গভীর সহানুভূতি ও করুণ অনুভূতির সঙ্গে স্মরণ করেছেন। তাঁর দৃষ্টি যুদ্ধের বীরত্বে নয়, যুদ্ধের পূর্ববর্তী মানবিক বেদনা, বিচ্ছেদ এবং আত্মত্যাগের দিকে নিবদ্ধ।

এরপর তিনি রঘুকুলের এই পুণ্যকাহিনি বর্ণনা করতে গিয়ে লেখেন—

‘অসহ দুঃখ সহি নিরবধি
কেমনে জনম গিয়েছে দগধি,
জীবনের শেষ দিবস অবধি
অসীম নিরাশ্বাস।
কহিল,”বারেক ভাবি দেখো মনে
সেই এক দিন কেটেছে কেমনে
যেদিন মলিন বাকল-বসনে
চলিলা বনের পথে—
ভাই লক্ষ্ণণ বয়স নবীন,
ম্লান ছায়া-সম বিষাদ-বিলীন
নববধূ সীতা আভরণহীন
উঠিলা বিদায়-রথে।

রাজপুরী-মাঝে উঠে হাহাকার,
প্রজা কাঁদিতেছে পথে সারে সার—
এমন বজ্র কখনো কি আর
পড়েছে এমন ঘরে!
অভিষেক হবে, উৎসবে তার
আনন্দময় ছিল চারি ধার
মঙ্গলদীপ নিবিয়া আঁধার
শুধু নিমেষের ঝড়ে।’

এরপর তিনি লেখেন—

‘ভেবে দেখো কথা সেই দিবসের—
এত বিষাদের এত বিরহের
এত সাধনের ধন,
সেই সীতাদেবী রাজসভামাঝে
বিদায়-বিনয়ে নমি রঘুরাজে
দ্বিধা ধরাতলে অভিমানে লাজে
হইলা অদর্শন।’

যে সীতাকে কেন্দ্র করে বনবাস, সীতাহরণ, লঙ্কাকাণ্ড এবং এক মহাযুদ্ধ সংঘটিত হলো, শেষ পর্যন্ত সেই সীতাকেই রাম পরিত্যাগ করেন। এই পরিণতি রামায়ণের অন্যতম গভীর মানবিক ট্র্যাজেডি। রবীন্দ্রনাথও তাঁর বিভিন্ন রচনায় রামায়ণকে কেবল বীরত্বের কাহিনি হিসেবে নয়, পারিবারিক সম্পর্ক, বিচ্ছেদ, বেদনা এবং মানবিক সংকটের কাহিনি হিসেবে পাঠ করেছেন। তাঁর সুপরিচিত উক্তি—

“কবি, তব মনোভূমি
রামের জন্মভূমি অযোধ্যার চেয়ে সত্য জেনো।”
এই উপলব্ধিরই প্রতিফলন।

‘পুরস্কার’ কবিতায়ও লক্ষ করা যায়, রামের বিজয়ের চেয়ে সীতার বেদনা এবং মানবিক ক্ষতিই কবির কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুদ্ধ শেষ হয়, কিন্তু মানুষের অন্তর্গত ক্ষত থেকে যায়। তাই সীতার অন্তর্ধানের পর কবি আবার প্রকৃতির স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে যাওয়ার ছবিও এঁকেছেন—

‘দ্বিধা ধরাভূমি জুড়েছে আবার,
দণ্ডকবনে ফুটে ফুলভার,
সরযূর কূলে দুলে তৃণসার
প্রফুল্ল শ্যামলেখা।’

প্রকৃতি আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে; কিন্তু মানুষের ইতিহাসে যুদ্ধের ক্ষত সহজে মুছে যায় না।

রামায়ণ ও মহাভারতের ঘটনাপ্রবাহ ভিন্ন হলেও রবীন্দ্রনাথ উভয় ক্ষেত্রেই যুদ্ধের গৌরব নয়, যুদ্ধের মূল্যকেই সামনে এনেছেন। একদিকে পারিবারিক বিচ্ছেদ ও ব্যক্তিগত বেদনা, অন্যদিকে আত্মীয়স্বজনের রক্তে রঞ্জিত কুরুক্ষেত্র—উভয় ক্ষেত্রেই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত মানুষের পরাজয়ের ইতিহাস।

দুই

রামায়ণের এই মানবিক ট্র্যাজেডির পর মহাভারতের বর্ণনায় এসে রবীন্দ্রনাথ যুদ্ধের ভয়াবহতাকে আরও প্রত্যক্ষ ও বিস্তৃত রূপে তুলে ধরেন। তিনি লেখেন—

‘তার পরে কবি কহিল সে কথা,
কুরুপাণ্ডব-সমর বারতা—
“গৃহবিবাদের ঘোর মত্ততা
ব্যাপিল সর্ব দেশ;
দুইটি যমজ তরু পাশাপাশি,
ঘর্ষণে জ্বলে হুতাশনরাশি,
মহাদাবানল ফেলে শেষে গ্রাসি
অরণ্য-পরিবেশ।

ফেনায়ে উঠিল মরণাম্বুধি,
বিশ্ব রহিল নিশ্বাস রুধি,
কাঁপিল গগন শত আঁখি মুদি
নিবায়ে সূর্যতারা।’

রামায়ণের যুদ্ধের সূত্রপাত সীতাহরণকে কেন্দ্র করে। রাবণের সীতা হরণের পর রাম, সুগ্রীব ও বানরসেনার সহায়তায় লঙ্কা অভিযান করেন এবং রাবণবধের মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটে।

অন্যদিকে, মহাভারতের যুদ্ধ একই বংশের দুই শাখা—কৌরব ও পাণ্ডবদের মধ্যে রাজ্য ও উত্তরাধিকারের অধিকারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়। নানা রাজনৈতিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের পর কুরুক্ষেত্রের মহাযুদ্ধ শুরু হয়। শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের সারথি ও উপদেষ্টা হিসেবে ধর্মপক্ষ রক্ষার আহ্বান জানান এবং ভগবদ্গীতা-র উপদেশ প্রদান করেন।

যুদ্ধের শেষে কৌরববংশ প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়। কিন্তু বিজয়ী পাণ্ডবরাও প্রকৃত অর্থে বিজয়ী হতে পারেন না; আপনজন হারিয়ে তাঁরাও গভীর শোক ও শূন্যতার মুখোমুখি হন। কুরুক্ষেত্র কার্যত এক বিশাল শ্মশানে পরিণত হয়। এই কারণেই রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে মহাভারতের যুদ্ধ কেবল বিজয়-পরাজয়ের ইতিহাস নয়, আত্মবিনাশের ইতিহাস।
এরপর তিনি লেখেন—

‘সমরবন্যা যবে অবসান
সোনার ভারত বিপুল শ্মশান,
রাজগৃহ যত ভূতল-শয়ান
পড়ে আছে ঠাঁই ঠাঁই—
মরণে মিটেছে সব বিচ্ছেদ,
সমাধা যজ্ঞ মহা নরমেধ
বিদ্বেষ-হুতাশনে।
সকল কামনা করিয়া পূর্ণ
সকল দম্ভ করিয়া চূর্ণ
পাঁচ ভাই গিয়া বসিলা শূন্য
স্বর্ণসিংহাসনে।
স্তব্ধ প্রাসাদ বিষাদ-আঁধার,
শ্মশান হইতে আসে হাহাকার—
রাজপুরবধূ যত অনাথার
মর্ম-বিদার রব।
“জয় জয় জয় পাণ্ডুতনয়’
সারি সারি দ্বারী দাঁড়াইয়া কয়;
পরিহাস ব’লে আজি মনে হয়,
মিছে মনে হয় সব।
কালি যে ভারত সারাদিন ধরি
অট্ট গরজে অম্বর ভরি
রাজার রক্তে খেলেছিল হোরি
ছাড়ি কুলভয়লাজে,
পরদিনে চিতাভস্ম মাখিয়া
সন্ন্যাসীবেশে অঙ্গ ঢাকিয়া
বসি একাকিনী শোকার্ত হিয়া
শূন্য শ্মশান-মাঝে।
কুরুপাণ্ডব মুছে গেছে সব,
সে রণরঙ্গ হয়েছে নীরব,
সে চিতাবহ্নি অতি ভৈরব
ভস্মও নাহি তার;
যে ভূমি লইয়া এত হানাহানি
সে আজি কাহার তাহাও না জানি—
কোথা ছিল রাজা, কোথা রাজধানী
চিহ্ন নাহিকো আর।

রামায়ণ ও মহাভারতের পরিণতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ‘পুরস্কার’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ এক গভীর মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর কাছে যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী কেউ নয়। হিংসা যুদ্ধের জন্ম দেয়, অহংকার পতনের কারণ হয়, আর যুদ্ধের শেষে অবশিষ্ট থাকে মৃত্যু, শোক, স্বজনহানি এবং সভ্যতার ক্ষয়। তাই তাঁর দৃষ্টি বিজয়ের উল্লাসে নয়, যুদ্ধোত্তর মানবিক বিপর্যয়ের দিকে নিবদ্ধ। এই কারণেই তিনি ন্যায়, করুণা ও মানবকল্যাণের পথকেই মানবসভ্যতার প্রকৃত পথ হিসেবে দেখেছেন।

মহাভারতের তিনটি উল্লেখযোগ্য পর্ব অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ রচনা করেন ‘কর্ণ-কুন্তী সংবাদ’, ‘বিদায়-অভিশাপ’ এবং ‘গান্ধারীর আবেদন’। এই নাট্যকাব্যগুলিতে তিনি কেবল পৌরাণিক কাহিনির পুনর্কথন করেননি; বরং অন্যায়, প্রতিহিংসা, ক্ষমতার লোভ এবং যুদ্ধের নির্মমতার বিরুদ্ধে মানবতার কণ্ঠস্বর উচ্চারণ করেছেন। তাঁর কাছে ধর্মের প্রকৃত অর্থ কোনো সংকীর্ণ আনুগত্য নয়; বরং ন্যায়, সহমর্মিতা ও বিবেকের জয়।

পুরাণ ও ইতিহাসে অনেক সময় বিজয়ীর কণ্ঠই অধিক উচ্চকিত হয়ে ওঠে; ফলে পরাজিত, নিপীড়িত কিংবা প্রান্তিক মানুষের অভিজ্ঞতা আড়ালে থেকে যেতে পারে। রবীন্দ্রনাথ সেই আড়ালে থাকা মানবিক সত্যকেই অনুসন্ধান করেছেন। তাঁর কাব্যদৃষ্টিতে ইতিহাস কেবল রাজা, রাজ্য বা যুদ্ধজয়ের বিবরণ নয়; মানুষের আনন্দ, বেদনা, ত্যাগ ও নৈতিক সংকটের ইতিহাসও বটে। সেই কারণেই ‘পুরস্কার’ কবিতায় ক্ষমতার চেয়ে মানবতার মূল্যই অধিক হয়ে উঠেছে।#

Facebook
Twitter
LinkedIn
Print
error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত !!