আমেরিকার বোস্টন শহর থেকে প্রকাশিত ‘দ্য ক্রিশ্চিয়ান সাইন্স মনিটর’ পত্রিকায় ১৯১৬ সালে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। সাক্ষাৎকারটি ওয়াশিংটন রাজ্যের সিয়াটল শহরের প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলেন। এটি ছিল তার দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকা ভ্রমণ। মোট পাঁচবার তিনি আমেরিকা গেলেও এটি ছিল তার সফলতম যাত্রা। সেবার তিনি বিভিন্ন শহরের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যথেষ্ট তহবিল সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের সহযাত্রী ছিলেন তার সেক্রেটারি উইলিয়াম পিয়ারসন ও চিত্রশিল্পী মুকুল দে। তারা জাপান থেকে এস.এস. কানাডা মারু জাহাজে চড়ে ১৮ সেপ্টেম্বরে সিয়াটলে পৌঁছান, জাহাজটি পথে ভ্যাঙ্কুবার ও হনলুলু থামে। ২২ সেপ্টেম্বর টাকোমায় প্রথম বক্তব্য দেন। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর সিয়াটলের সানসেট ক্লাবে দুপুর ২:৩০ মিনিটে শুরু করে প্রায় ২ ঘন্টা ধরে তিনি তার বক্তৃতা দেন, সেদিন আবার রাত ৮:১৫ মিনিটে ম্যাকলি’স থিয়েটারে আরেকটি বক্তব্য দেন। ‘দ্য ক্রিশ্চিয়ান সাইন্স মনিটর’ পত্রিকায় পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারটির শিরোনাম ছিল: ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতিগত ঐক্যের কথা বলেন’। আমেরিকা থেকে সাক্ষাৎকারটি সংগ্রহ করে বাংলা ভাষার পাঠকদের জন্য অনুবাদ করে পাঠিয়েছেন তুহিন দাস।
বর্তমান যুগের মহান উদ্দেশ্য হল সমগ্র মানব জাতিকে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহানুভূতির বাস্তবতায় একত্রিত করা। এটি হল স্যার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু, তিনি ভারতের একজন মহান কবি ও সাহিত্যে ১৯১৩ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। তিনি সম্প্রতি জাপান থেকে ‘কানাডা মারু’ জাহাজে চেপে এখানে এসেছেন এবং সানসেট ক্লাবে ‘জাতীয়তাবাদের গোত্র’ শিরোনামে বক্তব্য দিয়ে তিনি আমেরিকায় তার সফর শুরু করেছেন।
“একটি বড় শক্তি চরমভাবে পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে একত্রিত করছে।” এ কথা তিনি বলেছেন ‘দ্য ক্রিশ্চিয়ান সাইন্স মনিটর’ পত্রিকার প্রতিনিধিকে। “আমি বলতে পারি না যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা আন্দোলন এর জন্য দায়ী, তবে এটির অস্তিত্ব রয়েছে।” একজন পর্যবেক্ষক ভ্রমণকারী দেশে দেশে প্রতিবন্ধকতা ও কুসংস্কারের ব্যাপক ভাঙন ঘটে চলা এবং সেসবের সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে চিন্তা ও কর্মের বিশাল ক্ষেত্রগুলির দিকে পৌঁছানোর চেষ্টাকে দেখতে পান। এটি সমস্ত ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রান্তিকাল। মানবতা প্রথমবারের মতো বিশ্ব চেতনায় জাগ্রত হচ্ছে। লেখক ও চিন্তাবিদরা আগের চেয়ে মুক্ত পরিবেশে শ্বাস নিচ্ছেন এবং মানুষের মনে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা রয়েছে। যেন পৃথিবী এখন জন্ম নেওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে।
ইউরোপীয় যুদ্ধ [প্রথম বিশ্বযুদ্ধ] যুগের প্রবণতা হিসেবে তার তত্ত্বকে অস্বীকার করে না কিনা জিজ্ঞাসা করা হলে, মিঃ ঠাকুর, যে নামে তাকে ডাকতে পছন্দ করেন, একটি জোরালো নেতিবাচক উত্তর দিয়েছিলেন। তিনি বললেন,“প্রতিটি মহান আন্দোলনে আমরা ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া খুঁজে পাই। এই যুদ্ধ কিন্তু এর নেতিবাচক দিক। এটি মানুষের মনের অস্থিরতার প্রকাশ। এটি অনিবার্য সংঘর্ষ যার ফলশ্রুতিতে অনেক দেশ প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসছে। এটি বিশ্ব জাগরণ। প্রথমে সংগ্রাম, বিভ্রান্তি ও অন্ধকারচ্ছন্নতা আছে; কিন্তু শীঘ্রই ঐক্য, শান্তি ও আলো আসবে।”
পরে সানসেট ক্লাবে তার বক্তৃতায় রবীন্দ্রনাথ তার এ ধারণার ওপর দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান গ্রহণ করে নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করেছিলেন যে আজকের বিশ্বের সবচেয়ে বড় মন্দ, যা প্রকৃত উন্নতিকে বাধা দেয়, তা হল বস্তুবাদ। তিনি আধুনিক সভ্যতার বস্তুগত পথে অত্যধিক বিকাশকে চিত্রিত করেছেন একটি দৈত্যাকার জিরাফ হিসেবে যা তার বুদ্ধিমত্তাকে শরীর থেকে ঊর্ধ্বমুখী করে তুলেছে মহান উচ্চতায় এবং মাথা ও হৃদয়কে আলাদা করে শরীরকে ক্ষুধার্ত অবস্থায় ফেলে দিয়েছে।
বস্তুগত অগ্রগতি হল বিশ্ব মুক্তির রহস্য এই বিশ্বাসে জাতিগুলো আত্ম-সম্মোহিত হয়ে গেছে। আধুনিক সভ্যতা হল আইডলপুজারী (idolatrous), যা ক্ষমতার ঈশ্বর তৈরি করে। এইভাবে, রবীন্দ্রনাথ ব্যাখ্যা করেছিলেন যে সভ্যতা একটি বড় যন্ত্রে বিবর্তিত হয়েছে যা একটি সত্য ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন, যা বৃহৎ ইউরোপীয় যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষের ধ্বংসের প্রতীক। তিনি আরও তুলনা করেছেন বিশ্বের বস্তুবাদকে ঘন হয়ে যাওয়া ভূত্বকের সঙ্গে যার শেষ পর্যন্ত নিজের ওজনে পতন হবে। এটি ভেঙে পড়ার লক্ষণ এখন দেশগুলোর শক্তির প্রবল লড়াইয়ে দেখা যাচ্ছে। অবশেষে বিশ্ব তার খোলস থেকে বেরিয়ে আসবে এবং তার ইতিহাসের উর্ধ্বে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশের যুগে প্রবেশ করবে।
পশ্চিমা বিশ্ব সম্পর্কে তার অনুভূতি জানতে চাইলে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন: “এটি বিস্ময়কর ও অসাধারণ। এর সাহিত্যে, শিল্পে ও প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের প্রশংসা করার মতো অনেক কিছু আছে যে আমি জানি না কোথা থেকে শুরু করব। কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারেন যে বহু বছর ধরে আমি আমার নিজের দেশে নির্জনে বসবাস করেছি যেখানে আমাদের বিস্তৃত সমতলভূমি, উষ্ণ রোদ ও ধ্যানের জন্য অনেক অবসর রয়েছে। আমি যখন আপনাদের বড় শহরগুলিতে আসি তখন আমি প্রায় বিধ্বস্ত বোধ করি। এখানে অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে। নজিরবিহীন কিছু ঘটছে। আপনারা সব দেশের মানুষকে গ্রহণ করছেন ও তাদের একই সুরে বাঁধছেন। আমি শুনেছি নির্দিষ্ট কিছু জাতিকে এর বাইরে রাখার আন্দোলন চলছে। এটা একটা ভুল হবে। সমস্ত মানুষকে স্বাগত জানানো ও তাদের এক করে তোলার জন্য আমেরিকার একটি বৈশ্বিক উদ্দেশ্য রয়েছে। আমি বলতে চাই যে আমেরিকা একটি মহান গবেষণাগার যেখানে মানব জাতির সমস্ত সমস্যার সমাধান করা হবে। যা প্রয়োজন তা হল কম জাতীয়তা এবং মহাবিশ্ব ও নিজের সম্পর্কে আরও জ্ঞান। যদি জাতিগত পার্থক্যের প্রতি কম মনোযোগ দেওয়া হয় এবং সকলেই যদি তাদের সাদৃশ্যের দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণের জন্য নিজেদের নিয়োগ করে, তবে বিশ্বের মানুষ সম্প্রীতিতে বাস করবে। ভারতে, আমি বিশ্বাস করি আমাদের এমন মনোভাব রয়েছে যা সমস্ত মানুষকে একত্রিত করতে পারে। আমি সংকীর্ণ অর্থে এর মধ্যে দেশপ্রেমের চিন্তা করতে চাই না। কিন্তু ভারতই একমাত্র দেশ যেটি কখনও নিজের জন্য একটি জাতি তৈরি করেনি। আমাদের প্রায় বিশুদ্ধভাবে স্বতন্ত্র সভ্যতা রয়েছে। আমরা শক্তিশালী সংঘে বিবর্তিত হওয়ার পরিবর্তে চিন্তা ও নৈতিক বিকাশে নিবেদিত হয়েছি। ফলে ক্ষমতার জন্য সর্বস্ব বিসর্জন দেওয়া জাতীয়তাবাদী মানুষদের কাছে আমরা পরাধীন হয়েছি। তবুও, আমাদের একটি বৃহত্তর স্বাধীনতা হল চিন্তার স্বাধীনতা। এমন ধরনের দর্শন আমাদের ভারতে রয়েছে যা বিশ্বকে রক্ষা করবে।”
তারপর কবি ভারতে তার বিদ্যালয়ের ছাত্রদের বিষয়ে বক্তব্যকে ধাবিত করলেন। “আমি যুক্তরাষ্ট্রে এই যে বক্তৃতাগুলো দিচ্ছি তা আমার বিদ্যালয়ের জন্য তহবিল পেতে। এ বিদ্যালয় ঘিরে আমার জীবনের কাজ। বলা হয়েছে যে এটি অসংশোধনযোগ্যদের জন্য একটি বিদ্যালয়। এটা সত্যি নয়; কিন্তু যখন আমি প্রথম শুরু করি, তখন আমার শিক্ষার ধারণাকে অবিশ্বাস করা হয়েছিল এবং যেসব ছেলেরা আমার কাছে এসেছিল তারা ছিল নিয়ম-রীতির উর্ধ্বে। তাদের বাবা-মা হতাশা নিয়ে আমার কাছে পাঠিয়েছিলেন। অনেক ছেলেদের শৃঙ্খলে বেঁধে রাখা হয়েছিল। কিন্তু আমার একটি ভিন্ন পন্থা ছিল। আমি তাদের নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি চার দেয়ালের গণ্ডির বাইরে, যাতে প্রকৃতির মাঝে তাদের প্রতুল শক্তি ব্যয় হয়। ভুল ছেলেদের এখন অস্তিত্ব নেই। সঠিক বোধগম্যতার সঙ্গে সমস্ত ছেলেরা উদার ও দয়ালু হবে। সত্যিই এটা আমার কাছে প্রকাশিত হয়েছে যে কতোটা আমার ছাত্ররা একে অপরকে ভালোবাসে। বড়রা ছোটদের সব যত্ন নেয়, স্নান করানো, পোশাক পরানো ও খাওয়ানো সব করে অনেক একাগ্রতা ও স্নেহের সাথে। এটা খুবই সম্ভব যে আমার শিক্ষাব্যবস্থা, যা বক্তৃতাগুলোর একটিতে ব্যাখ্যা করতে চাই, এ দেশে বাস্তবসম্মত হবে না, তবে আমি নিশ্চিত এতে সত্যগুলো রয়েছে যা সহায়ক হবে। আমি অনুমান করি আমাদের ছেলেরা আপনার দেশের ছেলেদের থেকে বেশ আলাদা। আমাদের ছেলেরা খুব আন্তরিকতাময়, ভদ্র ও ধ্যানী। এটি হল প্রজন্মান্তরের চিন্তার প্রতি একনিষ্ঠতার ফসল। জীবনের যে মহান সত্যগুলো তাদের আমি অবহিত করি সেগুলো তারা ধারণক্ষম।”
তাঁর কবিতার কথা বলতে গিয়ে তাকে ‘ভারতের কণ্ঠস্বর’ বলা হয়েছে, তিনি বলেছেন, “আপনি যদি এগুলো মূল বাংলায় পড়তে পারতেন! আমার ইংরেজি অনুবাদগুলো এর সঙ্গে মেলে না। প্রতিটি দেশের প্রকাশের নিজস্ব প্রতীকগুলো রয়েছে। তাই, যখন আমি আমার লেখা অনুবাদ করি, আমি নতুন চিত্রকল্পগুলো ও বর্তমানে নতুন ভাবনাগুলো খুঁজে পাই, এবং অবশেষে প্রায় সম্পূর্ণ নতুন কিছু হয়ে ওঠে। মৌলিক ধারণা একই, কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়েছে। কবিতাকে অনুবাদ করা যায় না। এটি শুধুমাত্র একটি ভিন্ন পরিবেশে পুনঃবসবাস করতে পারে। আমার গান আমাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিয়েছে যখন আমি আমার দেশে গরুর গাড়ির চালকদের গেতে শুনেছি। তারা এগুলোর উৎস না জেনেই গাইছিল, এবং যদি তারা সেগুলোকে নিয়ে আদৌ ভেবে থাকে তাহলে তারা সেগুলোকে প্রকৃতির থেকে উৎসারিত গানের মতো ভেবেছে। এমনটি, একজন কবির জন্য অনেক সম্মানের যা আমি পেয়েছিলাম, তখনও আমি বয়সে তরুণ এবং এর স্মৃতি মধুর। তারপর ইংল্যান্ডে আমার কাছে কিছু স্বাক্ষরজ্ঞানহীন মানুষেরা এসে বলেছিলেন যে আমার গানগুলো তাদের উল্লসিত করেছে। হ্যাঁ, নিশ্চয়ই নোবেল পেয়ে খুশি হয়েছিলাম। এটি এমন সময়ে এসেছিল যখন বিদ্যালয়ের জন্য আমার অর্থের সবচে’ বেশি প্রয়োজন ছিল। আমার বই থেকে যে সমস্ত আয় আসে তা দিয়ে স্কুল পরিচালনায় ব্যয় হয়। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় বিষয়।”
এটি মনে থাকবে যে স্যার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে ইংল্যান্ডের রাজা কর্তৃক ‘নাইট’ উপাধি পেয়েছিলেন; কিন্তু একটি উপাধি ‘ঠাকুর’ নামের সঙ্গে কোনো দীপ্তি যোগ করতে পারে না, কারণ এটি এমন একটি পরিবারের অন্তর্গত যা বহু বছর ধরে প্রাচ্যের চিন্তা ও শিল্পের নেতা হিসেবে স্বীকৃত। তার পিতা ছিলেন প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। কবি ব্যক্তিগত শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন কলকাতায় যেখানে তার পরিবার বসবাস করে। তিনি ২৪ বছর বয়সে তার পিতার জমিদারির দায়িত্ব গ্রহণ করতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেতেন। সেখানে তিনি তার অনেক লেখা লিখেছিলেন, যেগুলোর মধ্যে বাংলায় অসংখ্য গান রয়েছে। রুডইয়ার্ড কিপলিং যেমন ব্রিটিশ সৈন্যদের কথা বলেছিলেন, তেমনি রবার্ট বার্নস স্কটিশ কৃষকদের গান গেয়েছিলেন, তেমনি রবীন্দ্রনাথ এমনভাবে ভারতের মেহনতি জনতার গান গেয়েছিলেন যা তাদের হৃদয় স্পর্শ করেছিল। তারা যখন তাদের কাজ করে তখন তার গান গায়।
এর অনেক বছর পরে অনুবাদে দক্ষতার পরীক্ষা হিসেবে তিনি তার কিছু কবিতার ইংরেজি করেছিলেন। সেগুলো লন্ডনে ছাপা হয়েছিল এবং সেখানকার সাধারণ মানুষ সেসব গ্রহণ করে কবি’র আপন মানুষদের মতো করেই দৈনন্দিন গান হিসেবে সেগুলো গাইতো। সাহিত্য জগতের যে স্বীকৃতি এর পরে এসেছিল তাকে তিনি এত বেশি মূল্য দেন না যতোটা দেন এ ধারণাকে যে তার গান দরিদ্রদের জন্য দিনের পরিশ্রমকে হালকা করতে সাহায্য করেছিল।
তিনি ৩০টি কাব্যগ্রন্থ ও ২৮টি গদ্যগ্রন্থের লেখক যার মধ্যে নাটক, উপদেশ, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও ছোটগল্প রয়েছে। তাঁর বর্তমান সফরে যে পাঁচটি বক্তৃতা দেওয়ার কথা রয়েছে তা মূলত তাঁর মাতৃভাষায় লেখা ও তিনি সেগুলো অনুবাদ করেছেন।
ছবি: ‘দ্য ক্রিশ্চিয়ান সাইন্স মনিটর’ পত্রিকায় প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি যা তার ফটোগ্রাফ থেকে আঁকা হয়েছিল




