পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে একটি দৈনিকের সম্পাদকীয় ভাব

সূর্যে হাত পেতে এক বিন্দু শিশিরের তলায় সোনালী বিড়ালগুলোকে আলগা ছেড়ে দিতে পারি না। প্রতি কণা স্বাধীনতা আর দক্ষতা অপচয়ের জন্য আমি অপরাধী।

মেধার প্রমাণ দিয়ে উৎপাদনযন্ত্রকে নির্দিষ্ট কেন্দ্রায়নে সুশৃঙ্খল করতে পারি। একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমার সাফল্যই দেশকে মাটি ছেড়ে ক্রমাগত আকাশ থেকে আকাশে উড়িয়ে নিয়ে যাবার চাবিকাঠি। আর একারণেই, তোমরা জানো, আমার চতুষ্পার্শ্ব কত নিশ্ছিদ্র হওয়া প্রয়োজন।

বাজের ডানায় এক সমুদ্রের হাওয়া : তৃণে ও ফড়িঙে গভীর অজৈব সুবজতা! নাকের ডগায় বেলগাছে ঝুলে আছে সুমোহন কত না বেল, আহা কাক !

চাঁদের আঁধারে এক কণা দু’কণা শব্দ খোঁড়ার চেয়ে স্যাটেলাইট স্রোতে সুইমিং ড্রেস প্রদর্শন ফ্রেশলি আর্টিস্টিক। শক্তি ও যোগ্যতা বাদে সত্য হয় না। ফলে, স্বাভাবিকভাবেই, কেউ কেউ নিজের নামের বিলুপ্তি প্রত্যক্ষ করবে।

সবার উপরে দেশ। চূড়ায় চূড়ায় মেধা ঝুলে আছে, আর আবহমান অলৌকিক সিঁড়ি। তাই আমার জন্য অস্তিত্ববাদের বাগানে, নারীবাদীদের মঞ্চে প্রবল মাহাত্মা পেয়ে যাওয়া সম্ভব। আর দেশের স্বার্থে নির্ভেজাল কল্পনাশক্তির অধিকারী হ’তে আমার ছিমছাম সর্বাধুনিক কামরায় চাই একটিমাত্র ইস্ত্রী-করা বৌ।

না হলে সভ্যতার তলে পিষ্ট তরুপত্রের হাড়, মরা কাকের বোন…

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on print
Print
error: বিষয়বস্তু সুরক্ষিত !!