অবশেষ দাস
অবশেষ দাস-এর জন্ম ৮ অক্টোবর ১৯৮১, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার পূর্ব গোপালপুর গ্রামে। পিতা গৌরবরণ দাস এবং মাতা নমিতা দেবী।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং তুলনামূলক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়েও অধ্যয়ন করেছেন। বর্তমানে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিদ্যানগর কলেজে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্যচর্চার সঙ্গে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক। তাঁর প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় দীপশিখা পত্রিকার শারদ সংখ্যায়। গবেষক, কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে তাঁর আগ্রহের প্রধান ক্ষেত্র দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাহিত্য ও সংস্কৃতি, সুন্দরবনের জনজীবন ও বাংলা কথাসাহিত্য, এবং দলিত সমাজ ও সাহিত্য। প্রান্তিক মানুষের জীবন, সংগ্রাম, সংস্কৃতি ও ইতিহাস তাঁর মননচর্চার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।
সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সুধারানী স্মৃতি পুরস্কার (২০০৪), পাঞ্চজন্য সাহিত্য পুরস্কার (২০১০), তেপান্তর পুরস্কার (২০১৭), সুকুমার রায় পুরস্কার (২০২০), একাডেমী সাহিত্য শিখর সম্মাননা (২০২৩), কবি সৌমেন বসু স্মৃতি পুরস্কার (২০২৪) এবং নেতাজী সুভাষ সম্মাননা (২০২৫) সহ একাধিক সম্মাননা লাভ করেছেন।
ফুলের সৌরভ নয়, জীবনের সৌরভের সন্ধানই তাঁর সাহিত্যসাধনার মূল প্রেরণা। মানুষ, মাটি, স্মৃতি ও সময়ের গভীর অন্তর্লোক অনুসন্ধান করে তিনি নির্মাণ করে চলেছেন তাঁর নিজস্ব সাহিত্যভুবন।