
চেতনার ভাঙন ও শিল্পের গর্জনে কবির আত্মরূপান্তর
কবিতা নিছক আবেগের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস কিংবা ভাষার আলংকারিক খেলা নয়;


কবিতা নিছক আবেগের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস কিংবা ভাষার আলংকারিক খেলা নয়;

কানাডীয় কবি, প্রাবন্ধিক এবং ধ্রুপদী সাহিত্যের অনুবাদক অ্যান কার্সনের সাহিত্যে

উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এক অনন্য নাম। তবে

খৃষ্টীয় ঊনিশ শতকের সূচনায় ইউরোপীয় আধুনিকতা ও প্রাচ্যের ঐতিহ্যবাহী সমাজব্যবস্থার

ভারতবর্ষের প্রখ্যাত দার্শনিক ডক্টর সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণান একবার বলেছিলেন যে একজন

আর্টের বিভিন্ন মিডিয়ামের ভিতর মিথস্ক্রিয়া, সংশ্লেষণ, বিচ্যুতি বা স্ফূরণ বরাবর

প্রাচ্য সংস্কৃতির বলিষ্ঠ উত্তরাধিকার হিসেবে বাংলার সংস্কৃতি অনন্য উজ্জ্বলতায় ভাস্বর।

একজন সাহিত্যিকের সাহিত্যকর্মের মধ্যে তার ইতিহাস চেতনাকে নির্দেশ করার আগে

বাঙালি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি ১৯২৬ সালের অগাস্ট

সাধারণভাবে বিজ্ঞান সাধনা ও স্বদেশী শিল্পের রূপকার হিসেবে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র